ঢাকা, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

‘আমাদের প্রস্তুতি ভালো হয়েছে’

স্পোর্টস ডেস্ক


প্রকাশ: ৪ মার্চ, ২০২৬ ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ৯ বার


‘আমাদের প্রস্তুতি ভালো হয়েছে’

হ্যাটট্রিক শিরোপা হলো না উত্তরাঞ্চলের। মঙ্গলবার বিসিএল ওয়ানডের ফাইনালে টানা দুইবারের চ্যাম্পিয়ন মধ্যাঞ্চলের কাছে ৫ উইকেটে হেরে যায় তারা। বিসিএল ওয়ানডেতে এটি মধ্যাঞ্চলের দ্বিতীয় শিরোপা।

মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে উত্তরাঞ্চলের দেওয়া ২৩৯ রানের লক্ষ্য ৫ উইকেট ও ৭২ বল হাতে রেখেই পেরিয়ে যায় মধ্যাঞ্চল।

জয়ের অন্যতম নায়ক সাইফ হাসান।

 

নাঈম শেখ ও সাইফ মিলে দ্বিতীয় উইকেটে গড়েন ১৬৪ রানের দারুণ জুটি। নাঈম ৭৮ রানে থামলেও সাইফ এগোচ্ছিলেন সেঞ্চুরির পথে। শেষ পর্যন্ত ১২ রানের আক্ষেপ নিয়ে ৮৮ রানে আউট হন তিনি।

তবে সেঞ্চুরি মিস করেও হতাশ নন এই ওপেনার।

 

নিজের ইনিংস নিয়ে সাইফ বলেন,  ‘সেঞ্চুরির আক্ষেপ সব ব্যাটসম্যানেরই থাকে। আমার কন্ট্রিবিউশন ছিল, আলহামদুলিল্লাহ। ওভারঅল এই টুর্নামেন্টে যারা আমরা পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ খেলব, তাদের জন্য ভালো প্রস্তুতি হয়েছে ‘

বগুড়া ও রাজশাহীর উইকেটে ব্যাটাররা সাবলীলভাবে রান করতে পেরেছেন।

সেই তুলনায় মিরপুর কিছুটা কঠিন বলেই মনে হয়েছে অনেকের। তবে সাইফের মতে উইকেট খারাপ ছিল না,  ‘ওখানে (বগুড়া ও রাজশাহী) উইকেট অনেক ভালো ছিল। এখানে খারাপ ছিল তা নয়, স্পোর্টিং উইকেট ছিল। বোলাররা ভালো জায়গায় বল করলে ব্যাটারদের জন্য কঠিন হয়ে যায়। যেহেতু পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ মিরপুরে, আমি মনে করি আমাদের প্রস্তুতির জন্য এটা ভালো হয়েছে।

 

সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ওয়ানডেতে ৮০ রানের ইনিংস থাকলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে সাম্প্রতিক সময়ে খুব একটা ধারাবাহিক ছিলেন না সাইফ। বিপিএলে তেমন রান পাননি। তবে অদম্য টি-টোয়েন্টি কাপ থেকে ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত দেন, আর বিসিএলের ফাইনালে এসে সেটাকে পূর্ণতা দেন।

নিজের ফর্ম নিয়ে সাইফ বলেন,  ‘সব সময় তো একরকম যাবে না। আপ-ডাউন থাকবেই। একটা খারাপ সময় গেছে। ওভারকাম করতে পেরেছি, মানসিকভাবে এখন স্বস্তিতে আছি। পরিবার আর সতীর্থরা অনেক সাহায্য করেছে।’

প্রায় পাঁচ মাস পর ওয়ানডে খেলতে নামছে বাংলাদেশ। চলতি মাসেই পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ রয়েছে। বিসিএলে খেলা সেই প্রস্তুতিতে সহায়ক হয়েছে বলেই মনে করেন সাইফ, ‘অনেকদিন পর ওয়ানডে ম্যাচ খেলতে নামছি আমরা। আমার মনে হয়, এই কয়েকটা ম্যাচের প্রস্তুতি আমাদের অনেক হেল্প করবে। সবমিলিয়ে প্রস্তুতি খুব ভালোভাবেই হয়েছে।’

পুরো রোজার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিসিএল। রাজশাহী ও বগুড়ায় দিনের ম্যাচ, আর ফাইনাল ছিল দিবা-রাত্রির। রোজা রেখে খেলা সহজ ছিল না, সেটাও স্বীকার করলেন তিনি, ‘রোজার মধ্যে খেলাটা কিছুটা কষ্টকর ছিল। এই ম্যাচটা যেহেতু ডে-নাইট ছিল, কিছুটা স্বস্তি ছিল। বগুড়া-রাজশাহীতে পুরো দিন রোজা রেখে খেলাটা কঠিন ছিল।’

রোজা রেখে খেলার বিষয়ে অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিমের কাছ থেকেও পরামর্শ নিয়েছেন বলে জানালেন, ‘রোজা রেখে সব ম্যাচ খেলেছি। রোজা শুরুর আগে মুশফিক ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। উনি তো সব ম্যাচই রোজা রেখে খেলেন, মিস দেন না। কীভাবে প্রস্তুতি নেন, সেটা জানার চেষ্টা করেছি।’


   আরও সংবাদ