ঢাকা, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

মাতৃত্বকালীন ছুটি ও সুবিধা সীমিত করার হাইকোর্টের রুল

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ২৯ জুন, ২০২৬ ১৫:৩২ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৫ বার


মাতৃত্বকালীন ছুটি ও সুবিধা সীমিত করার হাইকোর্টের রুল

মাতৃত্বকালীন ছুটি ও সুবিধা সীমিত করা সংক্রান্ত শ্রম আইনের ৪৬(১) ও ৪৬(২) ধারা কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না এবং তৃতীয় অথবা পরবর্তী সন্তানের ক্ষেত্রে মাতৃত্বকালীন ছুটি ও সুবিধা সীমিত করা সংক্রান্ত বাংলাদেশ সার্ভিস রুলসের (বিএসআর) ১৯৭ (১) ও (১এ) বিধি কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, সে বিষয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

এ সংক্রান্ত রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার (২৯ জুন) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এসব রুল জারি করেন।

 

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী ইশরাত হাসান। তাকে সহযোগিতা করেন তানজিলা রহমান, মো. বাহাউদ্দিন আল ইমরান ও ইফাত হাসান শাম্মি।

 

 

মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, নারী ও শিশুবিষয়ক সচিব, সমাজকল্যাণসচিব, স্বাস্থ্যসচিবসহ ১৩ জনকে বিবাদী রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এর আগে গত ১৫ জুন বাংলাদেশের কর্মজীবী নারীদের মাতৃত্বকালীন অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জনস্বার্থমূলক এ রিটটি দায়ের করা হয়।

 

রিটে মন্ত্রীপরিষদ সচিব, আইন মন্ত্রণালয় সচিব সহ মোট ১২ জনকে বিবাদী করা হয়।

রিট আবেদনে বলা হয়, মাতৃত্বকালীন ছুটি ও সুবিধা কোনো জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা নয়; এটি মা ও নবজাতকের মৌলিক স্বাস্থ্য, মর্যাদা, সমতা এবং সাংবিধানিক অধিকারের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে সম্পর্কিত।

তৃতীয় বা পরবর্তী সন্তানের ক্ষেত্রে এই অধিকার থেকে একজন কর্মজীবী নারীকে বঞ্চিত করা বৈষম্যমূলক এবং সংবিধানপরিপন্থী। এছাড়া সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভিন্ন ভিন্ন নীতিমালা বিদ্যমান থাকায় কর্মজীবী নারীদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি হচ্ছে, যা সমতা ও আইনের সমান সুরক্ষার নীতির সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

 

পরে রিটকারী আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, বাংলাদেশের সকল কর্মজীবী নারীর জন্য বৈষম্যহীন ও সমান মাতৃত্বকালীন অধিকার নিশ্চিত করার জন্য এই রীট করা হয়েছে। মাতৃত্ব কোনো শাস্তির বিষয় নয়; এটি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক সুরক্ষার বিষয়। এই মামলার চূড়ান্ত রায় বাংলাদেশের মাতৃত্বকালীন অধিকার, কর্মক্ষেত্রে লিঙ্গসমতা এবং শ্রম অধিকার বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে।


   আরও সংবাদ