ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:০৬ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ৩৩ বার
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ফেনী সফর উপলক্ষে ‘মুহুরি-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সেচ ও পানি নিষ্কাশন’ প্রকল্পের উদ্বোধনস্থল এবং জনসভাস্থল পরিদর্শন করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।
আজ তিনি জেলার ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলার দুই অনুষ্ঠানের ভেন্যু পরিদর্শন করে প্রস্তুতির সার্বিক খোঁজখবর নেন।
বিকেলে মন্ত্রী ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ পরিদর্শন করেন। পরে পরশুরাম উপজেলার মির্জানগরের খোয়াঘাট এলাকা পরিদর্শন করেন।
এ সময় পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করি যে, সরকার গঠন হওয়ার সাত মাসের মাথায় প্রধানমন্ত্রী ফেনী আসছেন। ফেনীর সঙ্গে তাঁর একটা সম্পর্ক রয়েছে। অতএব আমাদের যে দাবি-দাওয়া ও প্রত্যাশা রয়েছে, সেসব তিনি পূরণ করবেন। আমরা আশা করি, প্রধানমন্ত্রীর আগমনের মধ্য দিয়ে ফেনীবাসীর যে সমস্যাগুলো রয়েছে, সেসবের সমাধান হবে।’
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ফেনীতে ১ অক্টোবরের পর আবার আসবেন। আপনারা জানেন, মুছাপুর ক্লোজার প্রকল্প আজ একনেকে পাস হয়েছে। আগে এই মুহুরি-কহুয়া বাঁধের প্রকল্প পাস হয়েছিল। যখন মুছাপুর ক্লোজারের নির্মাণকাজ শুরু হবে, তখন উদ্বোধনের জন্য প্রধানমন্ত্রী আবার ফেনীতে আসবেন। ওই সময় তিনি নোয়াখালীতেও যাবেন।’
ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সি রফিকুল আলম মজনু বলেন, ‘বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী আমাদের এই ফুলগাজী ও পরশুরামে আসবেন। প্রথমে পরশুরামে বাঁধ নির্মাণকাজের উদ্বোধন করবেন। সেখানে তিনি বৃক্ষরোপণ করবেন। পরে বিকেলে ফুলগাজী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা, মেধাবীদের বৃত্তি প্রদান, কিডনি ও ক্যান্সার রোগীদের আর্থিক সহায়তা এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে টিন বিতরণসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেবেন। পাশাপাশি আগামী দিনের উন্নয়নের জন্য তিনি বক্তব্য রাখবেন।’
তিনি বলেন, ‘ইনশাল্লাহ আমাদের প্রস্তুতি সম্পন্ন। প্রধানমন্ত্রীকে গ্রহণ করার জন্য আমরা প্রস্তুত। প্রধানমন্ত্রীর আগমন আমাদের জন্য শুধু আনন্দের নয়, আশীর্বাদও।’
এ সময় সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম, পরশুরাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অতনু বড়ুয়া, ফুলগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কাউসার হামিদ, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও পিপি এডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন খান, আবু তালেব, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার, সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল, যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী হাবিবউল্লাহ মানিক ও আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী, দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আকবর হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাইদুর রহমান জুয়েল, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন খন্দকার, সদস্য সচিব নইম উল্লাহ চৌধুরী বরাত এবং জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন মামুনসহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।