ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬ ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ১৯ বার
রাজধানীর সায়েন্সল্যাব, টেকনিক্যাল ও তাঁতীবাজার মোড়ে অবরোধের ঘোষণা দিয়েছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি গঠনের লক্ষ্যে চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারির এক দফা দাবিতে পূর্বঘোষণা অনুযায়ী বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ১১টা থেকে এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অবরোধ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ট্রাফিক বিভাগ বলছে, ঢাকা শহরের যেকোনো ব্যস্ত এলাকায় আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা অবরোধ থাকলে সৃষ্ট যানজট ধীরে ধীরে পুরো শহরে ছড়িয়ে পড়ে। একই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র থাকায় সকাল থেকেই রাজধানীর সড়কে যানবাহনের চাপ বেশি।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর পুলিশের ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি, ট্রাফিক) আজাদ রহমান বলেন, তাঁতীবাজার মোড়ে শিক্ষার্থীদের অবরোধের কারণে বিকল্প সড়ক ব্যবহার করে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি, ট্রাফিক) এম. তানভীর আহমেদ বলেন, সকাল থেকেই সড়কে যানবাহনের চাপ অতিরিক্ত। ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণে কাজ করা হচ্ছে।
এর আগে মঙ্গলবার ‘সাত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তর আন্দোলন’-এর পক্ষ থেকে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দাবি আদায়ের লক্ষ্যে বুধবার সকাল ১১টা থেকে রাজধানীর সায়েন্সল্যাব, টেকনিক্যাল মোড় ও তাঁতীবাজার মোড় অবরোধ করা হবে।
শিক্ষার্থীদের দাবি-আগামী ১৫ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) অনুষ্ঠিতব্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সভায় ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন ২০২৫’-এর অনুমোদন দিতে হবে এবং একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারি করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সাত কলেজের সমন্বয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রণীত আইনের খসড়া গত ২৪ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। পরে বিভিন্ন পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে মন্ত্রণালয় স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে খসড়াটি হালনাগাদ করে।
এতে বলা হয়, সর্বশেষ গত ৭ ও ৮ ডিসেম্বর শিক্ষা ভবন অভিমুখে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করেছিল যে, ডিসেম্বরের মধ্যেই সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে জানুয়ারি মাসের শুরুর দিকে অধ্যাদেশ জারি করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রের মাধ্যমে তারা জানতে পেরেছেন যে আগামী ১৫ জানুয়ারি উপদেষ্টা পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে।
তাই ওই সভাতেই চূড়ান্ত অনুমোদনের দাবিতে তারা রাস্তায় নামছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নে ব্যত্যয় ঘটলে যৌক্তিক দাবি আদায়ে আন্দোলন অব্যাহত রাখারও হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা।