ঢাকা, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

ক্রীড়াঙ্গনের হাল ধরছেন সাবেক অধিনায়ক আমিনুল!

স্পোর্টস ডেস্ক


প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১৫:২১ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৫ বার


ক্রীড়াঙ্গনের হাল ধরছেন সাবেক অধিনায়ক আমিনুল!

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর এখন দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে বিএনপির সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা। বিশেষ করে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব কার হাতে যাচ্ছে, তা নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই। দলীয় ও বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক সফল অধিনায়ক আমিনুল হক হতে যাচ্ছেন দেশের পরবর্তী যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী।

বিএনপির ২০২৬ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে ক্রীড়াকে ‘পেশা ও জীবিকা’ হিসেবে প্রতিষ্ঠার যে অঙ্গীকার করা হয়েছে, তা বাস্তবায়নে একজন পেশাদার ক্রীড়াবিদকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব।

আমিনুল হক কেবল একজন তারকা ফুটবলারই নন, গত দেড় দশকে দলের কঠিন সময়ে রাজপথে থেকে তিনি বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেছেন। বিশেষ করে ঢাকা–১৬ আসনে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হলেও তার রাজনৈতিক ত্যাগ ও ক্রীড়াক্ষেত্রে অবদানকে বিশেষভাবে মূল্যায়ন করছে বিএনপি।

 

নির্বাচনে জয়ী হতে না পারলেও আমিনুল হককে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করতে ‘টেকনোক্র্যাট’ কোটা ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে নতুন সরকার। বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, তারেক রহমান ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে এমন কাউকে রাখতে চান, যিনি মাঠের সমস্যাগুলো বোঝেন এবং আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে পারবেন।

আমিনুল হকের দীর্ঘ ফুটবল ক্যারিয়ার ও প্রশাসনিক দক্ষতা এই পদের জন্য তাকে উপযুক্ত করে তুলেছে।

 

আমিনুল হকের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, তাকে বড় দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে দলের হাইকমান্ড থেকে ইতিবাচক সংকেত পাওয়া গেছে। তার সমর্থকদের ধারণা, আমিনুল হকের মতো একজন সৎ ও নিবেদিতপ্রাণ ক্রীড়াবিদ দায়িত্ব পেলে দেশের ঝিমিয়ে পড়া ক্রীড়াঙ্গনে নতুন গতি আসবে। বিশেষ করে ফুটবলসহ অন্যান্য মাঠের খেলায় উন্নয়নে তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।

 

দেশের সাধারণ ক্রীড়াবিদ ও সংগঠকরাও আমিনুল হকের মন্ত্রী হওয়ার গুঞ্জনকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় অ-ক্রীড়াবিদদের হাতে থাকায় তৃণমূলের খেলোয়াড়রা অবহেলিত ছিলেন। আমিনুল হক নিজে একজন খেলোয়াড় হওয়ায় তিনি খেলোয়াড়দের দুঃখ–দুর্দশা ভালোভাবে বুঝবেন।

১৬ ফেব্রুয়ারি নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের কথা রয়েছে। সেদিনই স্পষ্ট হবে সাবেক এই গোলরক্ষকের হাতেই দেশের ক্রীড়াঙ্গনের দায়িত্ব উঠছে কি না।

 


   আরও সংবাদ