ঢাকা, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

ভারতে বাংলাদেশিসহ গ্রেপ্তার ৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক


প্রকাশ: ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১৬:০৬ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ২১ বার


ভারতে বাংলাদেশিসহ গ্রেপ্তার ৮

‘ফ্রি কাশ্মীর’ পোস্টার লাগানোর ১০ দিনের মাথায় ‘বড় নাশকতার পরিকল্পনার’ অভিযোগে ভারতের তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গ থেকে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বা ও বাংলাদেশের কিছু জঙ্গি গোষ্ঠীর মদতে বড় নাশকতার পরিকল্পনা করছিল বলে দাবি ভারতীয় কর্মকর্তাদের।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) এ খবর দিয়েছে এনডিটিভি।

গ্রেপ্তার সন্দেহভাজনদের মধ্যে মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ শাবাত, উমর, মোহাম্মদ লিটন, মোহাম্মদ শহীদ ও মোহাম্মদ উজ্জ্বল নামের ছয়জনকে তামিলনাড়ুর তিরুপুর জেলার একটি পোশাক কারখানা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অপর দুইজনকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সন্দেহভাজনদের মধ্যে একজন বাংলাদেশিও রয়েছেন।

অভিযুক্তরা নিজেদের পরিচয় লুকানোর জন্য ভুয়া ‘আধার কার্ড’ ব্যবহার করছিলেন বলে সূত্র জানিয়েছে। পুলিশ তাদের কাছ থেকে ডজনখানেক মোবাইল ও ১৬টি সিম কার্ড উদ্ধার করেছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

গ্রেপ্তার সন্দেহভাজনদের দিল্লি পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া করছে তামিলনাড়ু পুলিশ।

 

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রায় ১০ দিন আগে সন্দেহভাজনরা দিল্লি ও কলকাতার মেট্রো স্টেশনসহ ১০টিরও বেশি জায়গায় ‘ফ্রি কাশ্মীর’ ও ‘কাশ্মীরে গণহত্যা বন্ধ করো’ লেখা পোস্টার লাগিয়েছিলেন। তদন্তে দেখা গেছে, তারা বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন থেকে অর্থ সহায়তা পাচ্ছিলেন, যাদের সঙ্গে গ্রেপ্তাররা সরাসরি বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যোগাযোগ রাখতেন। 

ভারতীয় কর্তাদের দাবি, অভিযুক্তদের মধ্যে কেউ কেউ ‘বাংলাদেশে এক এজেন্টের’ সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন, যিনি বর্তমানে পাকিস্তানে অবস্থান করছেন।

 

লস্কর-ই-তৈয়বা দিল্লির লাল কেল্লা ও চাঁদনি চকের একটি মন্দিরসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থানগুলোর কাছে বিস্ফোরণের পরিকল্পনা করছে– নিরাপত্তা সংস্থার বরাতে এমন খবর সামনে আসার একদিনের মাথায় আটজন গ্রেপ্তার হলেন। সূত্র জানিয়েছিল, জঙ্গি সংগঠনটি ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইসের (আইইডি) হামলার পরিকল্পনা করতে পারে।

গত ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে একটি মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলার প্রতিশোধ নিতেই এই হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। ওই হামলায় ৩১ জন নিহত ও ১৬০ জনেরও বেশি আহত হয়েছিল। যদিও ইসলামিক স্টেট (আইএস) এ হামলার দায় স্বীকার করেছিল।

 

লাল কেল্লার কাছে গত ১০ নভেম্বর একটি ভয়াবহ গাড়ি বিস্ফোরণ ঘটে। যেখানে ১২ জন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছিলেন। ওই ঘটনার প্রায় তিন মাস পর একটি জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা নস্যাৎ করার দাবি করেছেন ভারতীয় কর্মকর্তারা।


   আরও সংবাদ