ঢাকা, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

ক্যাবরেরার সঙ্গে বিদায় মামুনদেরও

স্পোর্টস ডেস্ক


প্রকাশ: ৭ এপ্রিল, ২০২৬ ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৩ বার


ক্যাবরেরার সঙ্গে বিদায় মামুনদেরও

হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার সঙ্গে চুক্তি নবায়ন না করে নতুন কোচের সন্ধানে নেমেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। স্প্যানিশ কোচকে বিদায় জানালেও তাঁর সহকারীদের নিয়ে কিছু পরিষ্কার করেননি দেশের ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার কর্মকর্তারা। তবে বাফুফের একটি সূত্র জানিয়েছে, ক্যাবরেরার মতো বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সহকারী কোচ হাসান আল মামুন, ডেভিড গোমেজের সঙ্গে অন্য কোচিং স্টাফদের মেয়াদও শেষ হয়েছে। তাদের বিদায়টাও নিশ্চিত হয়েছে।

জাতীয় দলে প্রধান কোচের চুক্তিটাই সবসময় সামনে আসে। অন্য কোচিং স্টাফদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার হেড কোচেরই। ২০২২ সালে বাংলাদেশের কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন ক্যাবরেরা। এ স্প্যানিয়ার্ড আসার পর ওই বছরের মার্চে সহকারী কোচ হিসেবে দায়িত্ব পান জাতীয় দলের সাবেক তারকা ফুটবলার হাসান আল মামুন। চার বছর ধরে ক্যাবরেরার সহকারী ছিলেন তিনি। মামুনের সঙ্গে সহকারী ছিলেন স্পেনের ডেভিড গোমেজ। ক্যাবরেরা যেহেতু স্পেনের, তাই নিজ দেশের কোচদের প্রতি তাঁর আলাদা টান ছিল। ডেভিড গোমেজের মতো ফিটনেস কোচ হোসে মারিয়াকে তিনি এনেছিলেন স্পেন থেকে। ভিয়েতনাম ও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ম্যাচের জন্য গোলরক্ষক কোচের দায়িত্ব পান আশরাফুল ইসলাম রানা। জাতীয় দলের সাবেক এ গোলরক্ষকের চুক্তিটা এই দুই ম্যাচ পর্যন্ত। 

ক্যাবরেরার সঙ্গে তাদের বিদায়টাও নিশ্চিত বলে গতকাল সমকালকে জানান জাতীয় দল ব্যবস্থাপনা কমিটির এক সদস্য, ‘হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার যারা সহকারী, তাদের চুক্তিটা ছিল মূলত টুর্নামেন্টভিত্তিক। আর সহকারীদের নিয়োগটা প্রধান কোচের পছন্দ অনুযায়ীই হয়ে থাকে। ক্যাবরেরা যেহেতু নেই, সেহেতু তাঁর সহকারীরাও থাকার কথা নয়। নতুন কোচ এলে তিনি সিদ্ধান্ত নিবেন তাঁর সহকারী কারা হবেন।’

২০২২ সালের মার্চে ক্যাবরেরার সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল হাসান আল মামুনকে। কোনো ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই ক্যাবরেরা ছুটিতে চলে যেতেন নিজ দেশে। তাই জাতীয় দল নির্বাচনের ক্ষেত্রে হাসান আল মামুনের প্রভাবটা ছিল বেশি। ছুটিতে থাকায় ক্যাবরেরা ঘরোয়া লিগের সব ম্যাচ দেখার সুযোগ পেতেন না। মামুনই তাঁর পছন্দ অনুযায়ী একটা তালিকা পাঠিয়ে দিতেন ক্যাবরেরাকে। এ স্প্যানিয়ার্ড তাঁর অনুমোদন দিতেন বলে ফুটবলপাড়ায় এমন গুঞ্জন আছে। 

আর হাসান আল মামুন দলের মধ্যে একটা সিন্ডিকেট তৈরি করেছেন বলে অভিযোগ আছে। যে কারণে সম্ভাবনাময় অনেক ফুটবলারের জাতীয় দলে ঠাঁই হয়নি। ক্যাবরেরার সঙ্গে বাফুফের চুক্তি ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত। তার আগ থেকেই নতুন কোচের খোঁজে নেমেছে ফুটবল ফেডারেশন। দেশি-বিদেশি কোচদের বায়োডাটা হাতে পেলে এক মাসের মধ্যে তাদের ডাকা হবে। কিছুদিন আগে গুঞ্জন উঠেছে বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ হতে আগ্রহী ভারত ও ক্রোয়েশিয়ার সাবেক হাইপ্রোফাইল কোচ ইগর স্টিমাচ।


   আরও সংবাদ