ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১০:০১ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ১৯ বার
দেশের তিন জেলায় পৃথক অভিযানে অবৈধভাবে মজুদ করে রাখা বিপুল পরিমাণ ভোজ্যতেল ও জ্বালানি তেল জব্দ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসন। এসব ঘটনায় একজনকে আটক এবং এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি ও অতিরিক্ত মুনাফা ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে অবৈধভাবে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ লিটার ডিজেল মজুদ করে অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে মো. সাইফুল ইসলাম শাকিল (২৮) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।
রোববার (১৯ এপ্রিল) ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার ব্রীজঘাট ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৪টি ড্রামে থাকা ডিজেল উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ-প্রশাসন) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী জানান, অবৈধভাবে ডিজেল মজুদ ও বেশি দামে বিক্রির অপরাধে তাকে আটক করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। আটক সাইফুল বড়খেরী ইউনিয়নের বড়খেরী গ্রামের মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে।
অন্যদিকে মাদারীপুরে অবৈধভাবে ভোজ্যতেল মজুদ করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
রোববার বিকেলে ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম ইউনিয়নের ধুয়াশার বাজার এলাকায় র্যাবকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান চালানো হয়। এ সময় বাচ্চু সরদারের বসতঘরের গোডাউন থেকে ৩৭ হাজার বোতল সয়াবিন তেল জব্দ করা হয়।
অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া অধিদফতরের মাদারীপুরের সহকারী পরিচালক সুচন্দ মন্ডল জানান, অধিক মুনাফার আশায় এসব তেল অবৈধভাবে মজুদ করা হয়েছিল। জরিমানার পাশাপাশি জব্দকৃত তেল দ্রুত বাজারে সরবরাহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবারের মধ্যে তা বাজারে ছাড়ার শর্তে মুচলেকাও নেওয়া হয়েছে।
এদিকে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে জেলা প্রশাসনের অভিযানে অবৈধভাবে মজুদ করা জ্বালানি উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার গোদনাইল বার্মাস্ট্যান্ড এলাকায় পরিচালিত অভিযানে ১ হাজার ৫০ লিটার ডিজেল এবং প্রায় ৭০ লিটার অকটেন জব্দ করা হয়।
জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মো. তারিকুল ইসলাম জানান, অবৈধ জ্বালানি মজুদ ও বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে। জব্দকৃত জ্বালানি পদ্মা ডিপোর পরিচালন কর্মকর্তা সালেহ সামির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
প্রশাসন জানায়, ডিপোকে কেন্দ্র করে এলাকায় অবৈধভাবে জ্বালানি মজুদের অভিযোগের ভিত্তিতেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।