স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ জুন, ২০২৬ ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ২২ বার
১২ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরেছে আইভরি কোস্ট। আর ফিরেই এক রোমাঞ্চকর ম্যাচে ইকুয়েডরকে ১-০ গোলে হারিয়ে শুভসূচনা করলো আফ্রিকান পরাশক্তিরা।
যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিত ‘গ্রুপ ই’-এর এই ম্যাচে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে (৯০ মিনিটে) ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড উইঙ্গার আমাদ দিয়ালোর দুর্দান্ত এক গোলে জয় নিশ্চিত করে আইভরি কোস্ট। এই হারের মাধ্যমে ইকুয়েডরের দীর্ঘ দুই বছরের প্রায় ১৯ ম্যাচের অপরাজিত থাকার রেকর্ড ভাঙলো।
আইভরি কোস্টের শুরুর একাদশে আমাদ দিয়ালোর না থাকাটা ছিল বেশ চমকপ্রদ। তবে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমে ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেন তিনিই।
ম্যাচের ৯০তম মিনিটে উইলফ্রিড সিংগোর একটি শক্তিশালী দৌড় থেকে বাড়ানো বলে বাম পায়ে চমৎকার শটে বল জালে জড়ান দিয়ালো। তার এই নাটকীয় গোল গ্রুপ ‘ই’ থেকে আইভরি কোস্টের নকআউট পর্বে যাওয়ার সম্ভাবনাকে অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে।
উল্লেখ্য, জার্মানি ও কুরাসাও-এর মতো দলও রয়েছে এই গ্রুপে। আইভরি কোস্টের সামনে এখন ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে যাওয়ার বড় সুযোগ।
পুরো ম্যাচজুড়ে ইকুয়েডরের কপাল পুড়েছে ভাগ্য সহায় না হওয়ায়। পুরো ম্যাচে মোট তিনবার তাদের শট গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসে। প্রথমার্ধে জন ইয়েবোয়াহ এবং অ্যালান মিন্দার দুটি শট বারে লাগে। দ্বিতীয়ার্ধে অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার এনের ভ্যালেন্সিয়ার একটি শটও সাইড পোস্টে লেগে প্রতিহত হয়।
ম্যাচটি বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হলেও ইকুয়েডর ম্যাচের ৬৮ মিনিটের আগে গোলমুখে কোনো অন-টার্গেট শট নিতে পারেনি। ৬৮ মিনিটে গঞ্জালো প্লাতার একটি শট রুখে দেন আইভরি কোস্টের গোলরক্ষক ইয়াহিয়া ফাফানা। অন্যদিকে আইভরি কোস্টও একটি সহজ সুযোগ মিস করে, যখন দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে নিসের ফরোয়ার্ড এলি ওয়াহির শট বারে লেগে ফিরে আসে।
কোচ সেবাস্তিয়ান বেকাসেসে-এর অধীনে ইকুয়েডর গত ১৯ ম্যাচের মধ্যে ১২টিতেই কোনো গোল হজম করেনি। এই ম্যাচেও তারা আইভরি কোস্টের তারকা খেলোয়াড় ইয়ান দিওমান্দেসহ পুরো আক্রমণভাগকে প্রায় বোতলবন্দী করে ফেলেছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে আমাদ দিয়ালোর জাদুকরী ফিনিশিং ইকুয়েডরের রক্ষণভাগ ভেঙে চুরমার করে দেয়।