ঢাকা, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

নতুন বাংলাদেশে স্বৈরাচারের স্থান নেই

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ২ অগাস্ট, ২০২৬ ১০:৩২ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ১৯ বার


নতুন বাংলাদেশে স্বৈরাচারের স্থান নেই

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশে কোনো স্বৈরাচারের স্থান হবে না এবং প্রতিটি গুম-হত্যার বিচার নিশ্চিত করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন সংরক্ষিত মহিলা আসন ঢাকা-১৬-এর সংসদ সদস্য ও ‘মায়ের ডাক’-এর সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলি।

তিনি বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের চরম নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ইতিহাস দেশের মানুষ কখনো ভুলবে না।

হাজারো ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে পাওয়া এই নতুন বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী অবস্থানে দাঁড় করাতে দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

 

শনিবার (১ আগস্ট) ঢাকা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে আয়োজিত সভা ও কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মো. মোস্তাফিজুর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারের সদস্যরা, শিক্ষক, অভিভাবক এবং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা।

 

জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করে এমপি সানজিদা ইসলাম তুলি বলেন, বিগত ২৪-এর জুলাই থেকে আজ পর্যন্ত আমরা একদিনের জন্যও জুলাইকে ভুলিনি। এই আন্দোলনই আমাদের মুক্ত মঞ্চে দাঁড়িয়ে কথা বলার এবং ফ্যাসিবাদের কবল থেকে মুক্ত হয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ করে দিয়েছে।

ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ১২ জন শিক্ষার্থীসহ যেসব ভাই জুলাই অভ্যুত্থানে ও বিগত স্বৈরশাসনের সময় গুম-খুন ও পঙ্গুত্ববরণের শিকার হয়েছেন, তাদের অবদান আমরা চিরদিন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করব।

 

বর্তমান সরকারের শিক্ষাবান্ধব উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবার স্বৈরাচারের সময় অকথ্য নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে জেলে রেখে চরম কষ্ট দেওয়া হয়েছে। সব হারিয়েও প্রধানমন্ত্রী আজ দেশবাসীকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ রেখেছে। সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষাকে প্রসারিত করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দক্ষ প্রকৌশলী ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার, যাতে তারা অন্যের চাকরির সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি দেশকে সমৃদ্ধ করতে পারে।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধানে সরকারের সদিচ্ছার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পলিটেকনিকের শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ও ল্যাবসহ অন্যান্য প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সরকার সর্বদা তাদের পাশে রয়েছে। আন্দোলন ও সংগ্রামের দিনে পলিটেকনিক ও আশপাশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা যেভাবে জীবন বাজি রেখে রাজপথে লড়েছিল, নতুন বাংলাদেশে তাদের একটি সফল ভবিষ্যৎ উপহার দেওয়া আমাদের সবার দায়িত্ব।


   আরও সংবাদ