আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ৩১ অগাস্ট, ২০২৬ ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ১৬ বার
ইরানের লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার জবাবে জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে ইরান।
রোববার (৩০ আগস্ট) দিবাগত রাতে এ হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
ইরানের বিভিন্ন বার্তা সংস্থায় প্রকাশিত বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, আগ্রাসনকারীদের শাস্তি হিসেবে জর্ডানের কিং হুসেইন ও আল আজরাক ঘাঁটিতে এই ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।
আইআরজিসির দাবি, এই হামলায় ঘাঁটিগুলোর প্রযুক্তিগত ও পুনর্গঠনমূলক সক্ষমতা ধ্বংস হয়ে গেছে।
হামলায় শত্রুপক্ষের বিমান উড্ডয়ন স্থাপনাও ধ্বংস হয়ে গেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এত আগ্রাসন ও অপরাধের পরও আইআরজিসিকে দমিয়ে হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার শত্রুর চেষ্টা থামবে না এবং প্রতিটি হামলারই তার চেয়েও ভয়ংকর জবাব দেওয়া হবে।
এর আগে রোববার ইরানের লারাক দ্বীপে আইআরজিসির দুটি রকেট লঞ্চারে আমেরিকা বোমা হামলা চালায়। ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার করে ওই হামলার প্রতিশোধ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় আইআরজিসি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, রোববার মাইনবাহী আমেরিকার দুই জাহাজে ওই রকেট লঞ্চার দুটি হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তখনই তাদের ওপর বোমাবর্ষণ করা হয়। খবর আল-জাজিরার।
ওই মার্কিন কর্মকর্তা আরও জানান, আমেরিকান বাহিনী নিবিড়ভাবে ওই এলাকা পর্যবেক্ষণ করছে এবং হরমুজ প্রণালীতে নৌযানের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিতে প্রস্তুত রয়েছে।
আমেরিকার হামলার কথা নিশ্চিত করে আইআরজিসি জানিয়েছে, লারাক দ্বীপে রোববারের হামলায় বেশ কয়েকজন যোদ্ধা ও বেসামরিক বাসিন্দা নিহত হন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা জানায়, আইআরজিসি এ ঘটনায় দায়ীদের শাস্তি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।