ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১৭:৫৩ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ২২ বার
প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, জাপানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর চুক্তি স্বার্থের ভিত্তিতে না হলে বিবেচনা করে দেখবে সরকার।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা বলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা।
পরে হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। অন্তর্বর্তী সরকার জাপানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা খাতে যে চুক্তি করেছে তা নিয়ে নতুন সরকারের অবস্থান জানতে চাওয়া হয়। জবাবে হুমায়ুন কবির বলেন, তারা কি করেছে, এটা তিনি (জাপানের রাষ্ট্রদূত) উল্লেখ করেছেন। একটা চুক্তি হয়েছে।
এটার মধ্যে কি আছে সেটা আমরা দেখি।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার একটা চুক্তি করেছে। সেটা দেখে আমরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত কী নেই, ইন্টারেস্টের ভিত্তিতে হলে কনটিনিউ থাকতে পারে। আর ইন্টারেস্টের ভিত্তিতে না হলে বিবেচনা করে দেখব।
দেখি, অন্তর্বর্তী সরকার আমাদের জন্য কী রেখে গেছে? সেটা না দেখে তো এখন বলা যাবে না।
জাপানের রাষ্ট্রদূত বলেন, প্রতিরক্ষা চুক্তির বিষয়টি তুলে ধরেছি। এটা যেন স্মুথলি চলে সেটা বলেছি।
জাপানে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে দেশটি সহায়তা করার কথা জানান রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি। তিনি বলেন, দক্ষ কর্মীর প্রসঙ্গে আমরা আলাপ করেছি।
রাষ্ট্রদূত জানান, বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, ইন্দো-প্যাসিফিক ইস্যু, কৌশলগত অংশীদারিত্ব, মাতারবাড়ি প্রজেক্টসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ হয়েছে।
বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহাদি আমিন (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যদার), পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম ও প্রবাসী ও কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের জ্যৈষ্ঠ সচিব ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।