স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭ মে, ২০২৬ ১৫:৫৬ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৯ বার
সিলেট থেকে: বিনা উইকেটে ২১ রান নিয়ে প্রথম দিন শেষ করেছিল পাকিস্তান। ম্যাচ শেষে দলের পেসার খুররম শাহজাদ বলেছিলেন এই পিচে তারা ৪০০ থেকে ৪৫০ রান করতে চান।
যদিও শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের সেই লক্ষ্য বাস্তবায়ন হয়নি। ২৩২ রানে অলআউট হতে হয়েছে পাকিস্তানকে।
চা বিরতির পর ২.৪ ওভার খেলা হয়। সেখানে ২ উইকেট হারালেও পাকিস্তান তুলে নেয় ২৬ রান।
তাইজুল বলে পর পর তিন ছক্কা না হলে লিডটা আরও বড় থাকতো বাংলাদেশের। তবে শেষ অব্দি ৪৬ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করবে বাংলাদেশ।
দিনের খেলা বাকি ৩৬ ওভার। যদিও পুরো ৩৬ ওভার হচ্ছে না, এতোটুকু নিশ্চিত!
৮ উইকেট হারিয়ে ২০৬ রান নিয়ে চা বিরতিতে গিয়েছিলো পাকিস্তান। চা বিরতি থেকে ফিরেই নবম উইকেট হারায় তারা, তখন তাদের রান ২০৭। পরের ওভারে তাইজুলকে টানা তিন ছক্কা মারেন সাজিদ খান। তাতেই রানটা বেড়ে যায়। পরের ওভারে রানার ফুলটসে চার মেরেছিলেন সাজিদ। পরের বলে লম্বা শট খেলতে গিয়ে তানজিদ তামিমকে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন। আর তাতেই পাকিস্তান ২৩২ রানে অলআউট হয়।
প্রথম সেশনে ৪ উইকেট হারিয়ে ৭৫ রান করেছিল পাকিস্তান। দ্বিতীয় সেশনে রান কিছুটা বেশি নিলেও উইকেট হারিয়েছে চারটি। সবমিলিয়ে ৫৫ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তানের রান ২০৬। তৃতীয় সেশনের তিন ওভারেই ২ উইকেট হারিয়ে আরও ২৬ রান যোগ করে বাংলাদেশ।
আজ সকাল থেকেই দারুণ বোলিং করেছেন বাংলাদেশের বোলররা। তাসকিন-নাহিদ-শরিফুলের সঙ্গে দুই স্পিনার তাইজুল ও মিরাজ ভালো লাইনে বোলিং করেছেন। সর্বোচ্চ তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন নাহিদ রানা ও তাইজুল ইসলাম। দুটি করে উইকেট শিকার করেন মেহেদী হাসান ও তাসকিন আহমেদ।
পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ রান আসে বাবর আজমের ব্যাট থেকে। তিনি ৮৪ বলে খেলেন ৬৮ রান। তাকে ফেরান নাহিদ রানা। টেস্টে ৫ ইনিংসের মধ্যে তিন ইনিংসে তাকে আউট করলেন নাহিদ। সাজিদ ২৮ বলে খেলেন ৩৮ রানের ঝড়ো ইনিংস।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। তবে লিটনের অনবদ্য সেঞ্চুরিতে স্বাগতিকরা ২৭৮ রানের সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারে। লিটন টেলেএন্ডারকে নিয়ে পান সেঞ্চুরির দেখা। ১২৬ রানের ঝলমলে ইনিংসে পূণ করেন ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি।