ঢাকা, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

জয় দিয়ে সাফের সূচনা

স্পোর্টস ডেস্ক


প্রকাশ: ২৮ মে, ২০২৬ ২২:৫৯ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ৯ বার


জয় দিয়ে সাফের সূচনা

হ্যাটট্রিক সাফ শিরোপার মিশনে জয় দিয়েই যাত্রা শুরু করেছে বাংলাদেশ। নিজেদের প্রথম ম্যাচে মালদ্বীপকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে পিটার বাটলারের শিষ্যরা।

 

ম্যাচে বাংলাদেশ জয় পেলেও ভিন্ন হতে পারত স্কোরলাইন। এই মালদ্বীপকেই প্রথম ম্যাচে ১১-০ গোলে হারিয়েছিল ভারত।

 

তবে দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়েছে মালদ্বীপ। বাংলাদেশের বিপক্ষে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল তারা।

 

প্রতিপক্ষ গোলরক্ষক ফাতিমাত সুজান প্রশংসার দাবি রাখেন। বেশ কিছু নিশ্চিত গোল থেকে বাংলাদেশকে বঞ্চিত করেছেন তিনি।

 

ম্যাচের একদম শুরুতেই মাত্র ১৩ সেকেন্ডে গোল করে সুইডেনপ্রবাসী ফুটবলার আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী যে ঝড়ের আভাস দিয়েছিলেন, পুরো ম্যাচে তেমন কিছুই দেখা গেল না। এদিন বাংলাদেশের ডিফেন্সের দুর্বলতা ছিল বেশ চোখে পড়ার মতো। মূলত উইঙ্গার হিসেবে পরিচিত হলেও এই ম্যাচে কোচ পিটার বাটলার তাকে খেলিয়েছেন স্ট্রাইকিং পজিশনে। গত আসরের পাঁচ গোলদাতা তহুরা খাতুনকে বেঞ্চে বসিয়ে একাদশে সুযোগ পেয়েই কোচের আস্থার দারুণ প্রতিদান দিলেন সুইডেনপ্রবাসী এই তারকা। ম্যাচের তিন মিনিটে দ্বিগুণ হতে পারত ব্যবধান। অলিম্পিক গোল মিস হয় ঋতুপর্ণার। তার শট সেকেন্ড বারে লেগে ফিরে আসে।

 

শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে মালদ্বীপ। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আক্রমণের ধারা অব্যাহত রাখে বাংলাদেশ। যার ফল আসে ম্যাচের ৩৪ মিনিটে। সতীর্থের বাড়ানো বল পেয়ে ফাঁকা বক্সে ঢুকে জোরালো শটে মালদ্বীপের জালে বল জড়ান উমহেলা মারমা। ব্যবধান দ্বিগুণ করে উল্লাসে মাতে বাংলাদেশ শিবির।

 

প্রথমার্ধজুড়েই একচেটিয়া আধিপত্য ছিল বাংলাদেশের মেয়েদের। তবে ৪৩ মিনিটে খেলার ধারার বিপরীতে গিয়ে একটি গোল শোধ করে বসে মালদ্বীপ। প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে আচমকা এক দূরপাল্লার শট নেন মারিয়াম নুরা। বলটি ক্রসবারে লেগে গোললাইন পার হয়ে যায়। বাংলাদেশের গোলরক্ষক লাফিয়েও বলের নাগাল পাননি। মালদ্বীপের এই একমাত্র গোছানো আক্রমণ থেকেই ব্যবধান কমে দাঁড়ায় ২-১। এই ব্যবধান নিয়েই বিরতিতে যায় দুই দল।

 

বিরতির পর আক্রমণের ধার বাড়ায় প্রতিপক্ষ মালদ্বীপ। ৫৩ মিনিটে বাংলাদেশের ডিফেন্সের দুর্বলতায় বল পেয়ে যান মারিয়াম রিফা। বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিলি আক্তারকে একা পেয়েও গোল করতে পারেননি তিনি। তার শট সহজেই তালুবন্দি করেন মিলি। তবে তিন মিনিট পরেই সমতায় ফেরে মালদ্বীপ। আমিনাথ ফাজলার গোলে সমতায় ফেরে তারা। এই গোলে বড় দায় রয়েছে বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক আফঈদা খন্দকারের। সহজ ট্যাকল মিস করায় এই গোল করার সুযোগ পেয়েছে মালদ্বীপ।

 

৬৪ মিনিটে আবারও লিড নেয় বাংলাদেশ। বক্সের বাঁ প্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার ক্রস রুখতে ব্যর্থ হন মালদ্বীপের গোলরক্ষক। এই সুযোগে সহজেই বল জালে জড়িয়ে দেন সুরভী আকন্দ প্রীতি। এরপর একের পর এক আক্রমণ করলেও আর গোলের দেখা মিলছিল না বাংলাদেশের। ম্যাচের শেষ মিনিটে ঋতুপর্ণার ফ্রি-কিক থেকে হেডে বল জালে জড়ান কোহাতি কিসকু। ফলে ৪-২ গোলের জয় নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে পিটার বাটলারের শিষ্যদের।


   আরও সংবাদ