ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

মৎস্য ও সামুদ্রিক অর্থনীতিতে বিনিয়োগ বাড়াতে জাইকা-মিডার সেমিনার

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ৩০ জুন, ২০২৬ ১৫:১৫ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৪ বার


মৎস্য ও সামুদ্রিক অর্থনীতিতে বিনিয়োগ বাড়াতে জাইকা-মিডার সেমিনার

বাংলাদেশের মৎস্য ও সামুদ্রিক অর্থনীতিতে অধিক মূল্যসংযোজনভিত্তিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে ‘বাংলাদেশের মৎস্য ও সামুদ্রিক অর্থনীতিতে বিনিয়োগ সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) রাজধানীর কারওয়ান বাজারের একটি হোটেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন মহেশখালী ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (মিডা) ও জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) বাংলাদেশ যৌথভাবে এ সেমিনারের আয়োজন করে।

 

সেমিনারে নীতিনির্ধারক, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, উন্নয়ন সহযোগী, মৎস্য বিশেষজ্ঞ, শিল্পখাতের প্রতিনিধি, উদ্যোক্তা ও সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীরা অংশ নেন।

আলোচনায় গভীর সমুদ্রে মাছ আহরণ, মেরিকালচার, অ্যাকুয়াকালচার ও চিংড়ি উৎপাদন এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণকে বাংলাদেশের ব্লু ইকোনমির চারটি সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে তুলে ধরা হয়।

বক্তারা বলেন, প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য থাকা সত্ত্বেও এসব খাতের বাণিজ্যিক বিকাশ এখনও সীমিত।

 

সেমিনারে শিল্পভিত্তিক মাছ ধরার বহর, অফশোর কার্যক্রম, ফিশ ল্যান্ডিং ও লজিস্টিকস, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন চিংড়ি মূল্যশৃঙ্খল, কোল্ড-চেইন অবকাঠামো এবং আধুনিক সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরা হয়।

 

বাংলাদেশের ব্লু ইকোনমিতে বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) মো. খুরশেদ আলম। এছাড়া বিভিন্ন অধিবেশনে বাংলাদেশের চিংড়ি শিল্প, গভীর সমুদ্রে মাছ আহরণ, জাপানের মৎস্যবাজার, বঙ্গোপসাগরে টুনা আহরণের সম্ভাবনা, মেরিকালচার এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাত নিয়ে বিশেষজ্ঞরা উপস্থাপনা করেন।

 

বাংলাদেশে জাপানের দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন ও মিনিস্টার এইচ.ই. তাকাহাশি নাওকি বলেন, চলতি বছর বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্কের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফেব্রুয়ারিতে স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ-জাপান ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (ইপিএ) দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের নতুন ভিত্তি তৈরি করেছে।

তিনি বলেন, ইপিএ’র সুযোগ কাজে লাগিয়ে মৎস্যসহ খাদ্যখাতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করা হবে। এ প্রেক্ষাপটে এ ধরনের সেমিনার সময়োপযোগী।

সমাপনী বক্তব্যে মিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, মৎস্য ও সামুদ্রিক অর্থনীতি উন্নয়ন মিডার অন্যতম অগ্রাধিকার। এ খাতে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ও বেসরকারি খাতের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চলছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সামুদ্রিক অর্থনীতির বিপুল সম্ভাবনাকে বাস্তব বিনিয়োগে রূপ দিতে গত কয়েক মাসে একাধিক পরামর্শসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং সরকারি প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের সমস্যা সমাধান করে বাংলাদেশকে রপ্তানিমুখী মৎস্য উৎপাদনকারী দেশে পরিণত করাই সরকারের লক্ষ্য।


   আরও সংবাদ