আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ জুন, ২০২৬ ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ১৫ বার
‘এভার লাভলি’ নামের একটি মালবাহী (কার্গো) জাহাজে ইরানি ড্রোন হামলার জবাবে ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
শুক্রবার মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অভিযান তদারকিকারী ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানায়, বৃহস্পতিবার কার্গো জাহাজে চালানো ড্রোন হামলার ‘শক্তিশালী জবাব’ হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
সেন্টকমের দাবি, মার্কিন যুদ্ধবিমান ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সংরক্ষণাগার এবং উপকূলীয় রাডার স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়েছে। দক্ষিণ ইরানের বন্দর সিরিকের কাছাকাছি এলাকায় এসব হামলার খবর পাওয়া গেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য করিডোরে ইরানের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড নৌচলাচলের স্বাধীনতা ব্যাহত করেছে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করেছে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সিঙ্গাপুরে নিবন্ধিত বাণিজ্যিক জাহাজ ‘এভার লাভলি’-এর ওপর বৃহস্পতিবারের ইরানি হামলা গত ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) একটি ‘বোকামিপূর্ণ লঙ্ঘন’।
১৭ জুনের ওই সমঝোতা স্মারকে লেবাননসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে সামরিক অভিযান স্থায়ীভাবে বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছিল। এর মাধ্যমে ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের সংঘাত কার্যত স্থগিত হওয়ার পথ তৈরি হয়েছিল।
যদিও স্মারকটি চূড়ান্ত ছিল না, তবু এটি হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক নৌচলাচল পুনরুদ্ধারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছিল।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালীতে ইরানের আরোপিত বিধিনিষেধের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি, সার এবং অন্যান্য পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। সমঝোতা স্মারকের অন্যতম শর্ত ছিল, পরবর্তী ৬০ দিন হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে ইরান সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে এবং কোনো ধরনের ফি আরোপ করবে না।
সূত্র: আল জাজিরা